২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ

মুসলিম জাহানের অপেক্ষার মাস হলো রমজান মাস। একজন প্রকৃত মুসলমান বারো মাসের মধ্যে রমজান মাসের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন।প্রত্যেক মুসলমানের জন্য বরকতময় মাস হলো রমজান যা আল্লাহর নৈকট্য হাসিলের অনত্যম মাধ্যম।

রমজান মাসে প্রত্যেক মুসলমানের মনে অন্যরকম এক প্রশান্তি আসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে। রমজান মাসের প্রত্যেকটি দিন অত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও সহমর্মিতার অনুশীলন। তাই তো ২০২৫ সালের শেষের দিকে এই সময়ে ২০২৬ সালের রমজানের  জন্য মুসলিম উম্মাহ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

পেজ সুচিপত্র: ২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ পোস্টটিতে আমরা যা যা জানতে পাড়বো

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছেন আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি। জ্যোতির্বিজ্ঞান এর গানিতিক হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের রমজান শুরু হবে ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে শীতের অ্যামেজে। আগামী বছর ২০২৬ সাল হিজরী ১৪৪৭ সন জ্যোতির্বিজ্ঞান এর গানিতিক হিসাব অনুযায়ী রমজান শুরু হবে ১৮ ফেব্রুয়ারী।

 রমজান মাসটি ২৯ অথবা ৩০ দিন হতে পারে তবে জ্যোতির্বিজ্ঞান এর গানিতিক হিসাব অনুযায়ী ১৯ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে আরবি মাসের চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর তারিখ এক দিন কম বেশি হতে পারে। আমরা কেবল মাত্র ২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে আলোচনা করেছি।

২০২৬ রমজান মাসের কালেন্ডার

২০২৬ সালের রমজান মাসের সাম্ভাব্য কালেন্ডার
রমজান তারিখ বার দিন সেহরির শেষ সময় ইফতারের সময়
১৮ বুধবার রহমত ০৫:০২ AM ০৬:০৪ PM
১৯ বৃহস্পতিবার রহমত ০৫:০১ AM ০৬:০৫ PM
২০ শুক্রবার রহমত ০৫:০০ AM ০৬:০৬ PM
২১ শনিবার রহমত ০৪:৫৯ AM ০৬:০৭ PM
২২ রবিবার রহমত ০৪:৫৮ AM ০৬:০৮ PM
২৩ সোমবার রহমত ০৪:৫৭ AM ০৬:০৯ PM
২৪ মঙ্গলবার রহমত ০৪:৫৬ AM ০৬:১০ PM
২৫ বুধবার রহমত ০৪:৫৫ AM ০৬:১১ PM
২৬ বৃহস্পতিবার রহমত ০৪:৫৪ AM ০৬:১২ PM
১০ ২৭ শুক্রবার রহমত ০৪:৫৩ AM ০৬:১৩ PM
১১ ২৮ শনিবার মাগফিরাত ০৪:৫২ AM ০৬:১৪ PM
১২ রবিবার মাগফিরাত ০৪:৫১ AM ০৬:১৫ PM
১৩ সোমবার মাগফিরাত ০৪:৫০ AM ০৬:১৬ PM
১৪ মঙ্গলবার মাগফিরাত ০৪:৪৯ AM ০৬:১৭ PM
১৫ বুধবার মাগফিরাত ০৪:৪৮ AM ০৬:১৮ PM
১৬ বৃহস্পতিবার মাগফিরাত ০৪:৪৭ AM ০৬:১৯ PM
১৭ শুক্রবার মাগফিরাত ০৪:৪৬ AM ০৬:২০ PM
১৮ শনিবার মাগফিরাত ০৪:৪৫ AM ০৬:২১ PM
১৯ রবিবার মাগফিরাত ০৪:৪৪ AM ০৬:২২ PM
২০ সোমবার মাগফিরাত ০৪:৪৩ AM ০৬:২৩ PM
২১ ১০ মঙ্গলবার নাজাত ০৪:৪২ AM ০৬:২৪ PM
২২ ১১ বুধবার নাজাত ০৪:৪১ AM ০৬:২৫ PM
২৩ ১২ বৃহস্পতিবার নাজাত ০৪:৪০ AM ০৬:২৬ PM
২৪ ১৩ শুক্রবার নাজাত ০৪:৩৯ AM ০৬:২৭ PM
২৫ ১৪ শনিবার নাজাত ০৪:৩৮ AM ০৬:২৮ PM
২৬ ১৫ রবিবার নাজাত ০৪:৩৭ AM ০৬:২৯ PM
২৭ ১৬ সোমবার নাজাত ০৪:৩৬ AM ০৬:৩০ PM
২৮ ১৭ মঙ্গলবার নাজাত ০৪:৩৫ AM ০৬:৩১ PM
২৯ ১৮ বুধবার নাজাত ০৪:৩৪ AM ০৬:৩২ PM
৩০ ১৯ বৃহস্পতিবার নাজাত ০৪:৩৩ AM ০৬:৩৩ PM

রহমতের ১০ দিনের করনীয় আমল

দ্বিতীয় হিজরিতে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা উম্মতের উপর রমজানের রোজা ফরয করেছেন।রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের প্রথম দশ দিনকে রহমতের দশক বলেছেন। কপটতা না করে ,মানুষের দোষত্রুটি না খুজে এই মাসে বেশি বেশি আমল করতে হবে। আমল এবং বেশি বেশি তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভ্যব। রহমতের মাস রমজান মাসজুড়ে পাপ কাজ থেকে দূরে থাকা এবং নেক কাজে নিয়োজিত থাকা অনেক সহজ হয়ে যায়।

 তাই রমজান মাসে রহমতের দশকে আল্লাহর নৈকট্য পেতে রোজাদারের করণীয় - ১. একনিষ্ঠতার সাথে রমজানের রোজা পালন করা। ২.জামাতের সাথে নামাজ আদায় করা। ৩. রাতের তারাবি পড়া। ৪. তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া। ৫. কোরআন তেলাওয়াত করা। ৬.দান-সদকা করা। ৭. ফিতরা ও জাকাত দেওয়া। ৮. আল্লাহর জিকির করা, তাকওয়া অর্জনের চেষ্টা করা। ৯. বেশি বেশি দোয়া করা- ইায়া আল্লাহ আপনার রহমত দিয়ে আমাকে ঘিরে নিন।

মাগফিরাতের ১০ দিনের করনীয় আমল

রমজান মাসের মাঝের দশ দিনকে মাগফিরাত বলা হয়। এই দশ দিন কে রাসুলুল্লাহ (সা.) মাগফিরাতের দশক বলেছেন। আল্লাহ বলেছেন- যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সাওয়াব বা প্রতিদান পাওয়ার আশায় রমজান মাসে তারাবির নামাজ পড়বে তার আগের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দাওয়া হবে এবং যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সাওয়াব বা প্রতিদান পাওয়ার আশায় রমজান মাসে রাত জেগে লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে তারজিীবনের  পূর্বের  সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।

রমজান মাসে মাগফিরাতের দশকে আল্লাহর নৈকট্য পেতে রোজাদারের করণীয়- ১. সিয়াম ফালন করা।  ২. ফরয় নামাজ আদায় করা। ৩. তাওবা করা। ৪. কুরআন তেলাওয়াত করা। ৫. তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা। ৬. গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচানো। ৭.গিবদ ও পরনিন্দা পরিহার করা। ৮. দান- সদকা করা। ৯. দোয়া পড়া- হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন, রহম করুন।

নাজাতের ১০ দিনের করনীয় আমল

নাজাত শব্দের অর্থ- মুক্তি। রমজান মাসে রোজাদারগন বিশটা রোজার পর পরম প্রাপ্তির পর্যায়ে পৈাঁছে যান। রমজান মাশের শেষের দশ দিনকে নাজাত বলা হয়। এই দশ দিন কে রাসুলুল্লাহ (সা.)  নাজাতের দশক বলেছেন। নাজাতের দশকে বিশ্যেষ কিছু্ আমল রয়েছে যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। এই দশ দিন এর মধ্যে রয়েছে লাইলাতুল কদর। যেই রাতে ইমানের সাথে রাত জেগে আল্লাহর ইবাদত করলে আল্লাহ জীবনের পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেন।

রমজান মাসে নাজাতের দশকে আল্লাহর নৈকট্য পেতে রোজাদারের করণীয়- ১. লাইলাতুল কদর তালাশ করা। ২. ইতিকাফ করা। ৩. বেশি বেশি দোয়া করা- হে আল্লাহ আমাদের জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন। ৪. তাহাজ্জুদ পড়া। ৪. কুরআন তেলঅওয়াত করা। ৫. গুনাহ থেকে বিরত থাকা। ৬.বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া। ৭. দান- সদকা করা। ৮. পরিবারকে ইবাদতে উৎসাহ দেওয়া।

রমজান মাসে বেশি বেশি কুরআন পড়ার তাৎপর্য

রমজান মাসে কুরআন তেলাওয়াত করার তাৎপর্য অনেক কারন রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস।রমজান মাসে মহান আল্লাহ হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর উপর পবিত্র কুরআন নাজিল করেন। একজন মানুষ সঠিক পথ দেখানোর একমাত্র মাদ্যম হলো কুরআন এবং একটি আর্দশ জাতি গড়ার একমাত্র মাধ্যম হলো কুরআন এর আলোকে জীবন গড়া। কুরআন হলো হেদায়াত ও পথনির্দেশনার একমাত্র মাধ্যম।

রমজানে কুরআন তেলাওয়াত করলে আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভ করা যায়। আত্মাকে পবিত্র করে এবং  হৃদয়ে প্রশান্তি আনে। কুরআন তেলাওয়াত অন্তরকে শান্ত রাখে এবং আল্লাহর সাথে বান্দার সর্ম্পক দৃঢ় করে। রমজান মাসে নবী (সা.) বেশি বেশি কুরআন তেলালাওয়াত করতেন তাই রমজানে বেশি বেশি কুরআন তেলালাওয়াত করলে নবীর সুন্নাত পালন হয়। কুরআন তেলালাওয়াত করলে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।

কুরআন হলো জীবন পরিচালনার পূনাঙ্গ দিকনির্দেশনা যা ব্যক্তি ও সমাজকে সঠিক পরিচালিত করে এবং জ্ঞান বৃদ্ধি করে। কুরআনের শিক্ষা মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করে। সুতরাং রমজান মাস হলো কুরআন তেলাওয়াত, এর অর্থ অনুধাবন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার শ্রেষ্ঠ সময়।

নবীর সিরাত বা জীবনি পড়ার তাৎপর্য

রমজান মাসে নবীর সিরাত বা জীবনি পড়ার তাৎপর্য হলো-  নবীর জীবন থেকে তার আর্দশ থেকে শিক্ষা নেওয়া। নবীর জীবনী থেকে আত্মাত্বিক উন্নতি, কুরআন- সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং রমজান মাসে ইবাদত করার উৎসাহ বাড়িয়ে দেয় কারণ এই মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে এবং নবীজি  (সা.) রমজান মাসে ইবাদতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন। নবীর সিরাত বা জীবনি পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং রমজানের প্রকৃত তাৎপর্য  অনুধাবন করা যায়।

নবী (সা.) এর জীবন এবং আল্লাহর সাথে তার সর্ম্পক মুমিনদের আধ্যাত্বিক বিকাশে সাহায্য করে। নবীর সিরাত পড়ার মাধ্যমে অন্তরে পরিশুদ্ধি আসে এবং তার আর্দশে জীবন গড়তে সাহয্য করে। সিরাত হলো সুন্নাহর ব্যাখ্যা এর সুন্নাহ হলো কুরআন এর ব্যাখ্যা তাই সিরাত পড়ে কুরআন এবং হাদিসকে ভালোভাবে বোঝা যায়। রমজান মাসেই যেহুত কুরআন নাজিল হয়েছে তাই এই মাসে সিরাত পড়ার কারনে কুরআনের সাথে সর্ম্পক ভালো হয়।

নবী (সা.) এর জীবন ছিল সামগ্র মানবজাতির   জন্য সর্বোত্তম আর্দশ। রমজান মাসে তার জীবনি পড়ার কারনে আমাদের সেই আর্দশে জীবন গড়ার উৎসাহ গড়ে ওঠে। রমজান মাসে সিরাত পাঠ এর মাধ্যমে শুধু আমরা জ্ঞান অর্জনই করি না বরং নবী (সা.) এ জীবনকে আমাদের জীবনে প্রতিফলিত করার অনুপ্রেণা পাই।

রমজানের সিয়াম পালন না করার শাস্তি 

ইসলামের পঞ্চম স্থম্ভ হলো রোজা। রোজা আমাদের  প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরয় যেমন ফরয ছিল পূর্বে। আল্লাহ তায়ালা বলেন- তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তিদের উপর য়াতে তোমরা আল্লাহ ভীতি অর্জ করতে পারো। রোজা বা সিয়াম শব্দের অর্থ হলো - আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকা।

রমজানের রোজা ফরজ। কোনো শরয়ি কারণ যেমন- অসুস্থতা, সফর, হায়েজ-নিফাস ছাড়া ইচ্ছাকৃত রমজানের রোজা না রাখা গুরুতর গুনাহ বা মহাপাপ। রোজানের রোজা রাখা ফরয ইচ্ছাকৃত রোজা না রাখঅ মানে আল্লাহর হুকুম অস্বিকার করা এবং ইসলাসের একটি স্থম্ভকে না মানা। ইচ্ছাকৃত রমজানের রোজা না রাখার দুনিয়াবি শাস্তি হলো- এটি চরম গুনাহ হিসেবে গন্য হবে। সমাজে ফাসিক তথা প্রকাশ্য গুনাহগার হিসেবে পরিচিত হবে। ফিকহ অনুযায়ীতার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হতে পারে।

আখিরাতের শাস্তি হলো- এক হাদিসে বর্নিত আছে নবী (সা.) স্বপ্নে দেখছেন- কিছু লোককে দেখলাম তাদের গোড়ালি দিয়ে ঝুলে আছে ঠোঁট দিয়ে রক্ত ঝরছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম এরাি কারা? জিবরাইল (আ.) বললেন- এরা হলো রমজানের রোজা ভঙ্গকারী।

সিয়াম পালনের পরির্বতে কাফফারা

রমজান মাসের রোযা ফরয়। যারা ইচ্ছাকৃত ভাবে শরীয় কোনো কারণ ছাঢ়অ রমজানের রোজা পালন করে না তাদের রমজানের রোজা না রাখার জন্য কাফপারা দিতে হয়। কাফফারা দাওয়িার কিছু শরীয় নিয়ম বা বিধান রয়েছে য়েসব মেনে কাফফারা আদায় করতে হয়। তিনটি পদ্ধতিতে কাফফারা দিতে হয় যেমন- 

১. একটি দাস মুক্ত করা, যা বর্তমানে অসম্ভব।
২.একটানা ৬০ টি রোজা রাখতে হবে, যদি প্রথম শর্ত পালন করা সম্ভব না হয় তবে  একটানা ৬০ টা রোজা রাখতে হবে।
৩. ৬০ জন মিসকিনকে খঅবার দাওয়া, যদি একটানা ৬০ রোজা রাখা সম্ভব না হয় তবে প্রত্যেক রোজা জন্য ৬০ জন গরিব মানুষ দুই বেলা পেট ভরে খাওয়াতে হবে।

শেষকথাঃ২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ পোস্টটিতে আমরা ২০২৬ সালের রমজানের সম্ভাব্য তারিখ সর্ম্পকে জানতে পেরেছি। রমজান মাস হলো বরকত এর মাস, রহমতের মাস। মুসলিম জাহান রমজান মাসের অপেক্ষায় থাকেন যেন এই মাসে জীবনের পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করাতে পাড়েন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পাড়েন। বরকতময় সেই মাস প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের দ্বার প্রান্তে চলে এসেছে প্রায়।

লেখকের মন্তব্য, রমজান মাস আমাদের প্রত্যেক মুসলমানের অনেক অপেক্ষাকৃত একটা মাস। একজন মুসলিম হিসেবে রমজান মাসে যেন ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনের পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করাতে পাড়ি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পাড়ি তা অবশ্যয় নিশ্চিত করতে হবে। মহান আল্লাহ যেন সামনে ২০২৬ সালের রমজানে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার তৌফিক দেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url