পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার উপায় ও সেট আপ করার নিয়ম

 

বর্তমান সময়ে বিনা পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার উপায় ও সেট আপ করার নিয়ম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। যেহুত ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে একসাথে দুটি মুদ্রা ব্যবহার করা যায় তাই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে বিদেশি বিভিন্ন সেবা গ্রহন করা যায়।

অনেকেই মনে করেন পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নেওয়া কোনো ভাবেই সম্ভব না কিন্তু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক এর মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নেওয়ার সুবিধা চালু করেছেন। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সর্ম্পকে বিস্তারিত জানতে পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

সুচিপত্রঃপাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার উপায় ও সেট আপ করার নিয়ম পোস্টটিতে আমরা যা যা জানতে পাড়বো

বিনা পাসপোর্টে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কীভাবে পাওয়া যায়

বাংলাদেশে থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নেওয়ার জন্য পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হয়। পারসেপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়া কঠিন কারন ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে একসাথে দুটি মুদ্রা ব্যবহার করতে পাড়বেন যেমন আপনি বাংলাদেশ এর টাকা এবং ইউএসডি ডলার বা অন্য যেকোনো মুদ্রা একসাথে ব্যবহার করতে পাড়বেন। যেহুত অন্য দেশের মুদ্রা ও ব্যবহার করা যায় ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে তাই বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়াটা বেশ কঠিন।

বাংলাদেশের কিছু ব্যাংক যেমন- সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এশিয়া ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক ইত্যাদি পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে থাকে। একটি ব্যাংক আকাউন্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নাম্বার এর মাধ্যমে ডুয়েল কারেন্সি  নিতে পাড়বেন। আপনি যদি পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নিতে চান তাহলে একটি ব্যাংক আকাউন্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ব্যবহার করে নিতে পাড়েন। তবে পাসপোর্ট ছাড়া পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার উপায় ও সেট আপ করার নিয়ম খুব একটা সহজ নয়।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কী এবং কেন এটি দরকার

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি কারার আগে আমাদের অব্যশই জানতে হবে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কী এবং তা কী কাজে লাগে, কেন এটি দরকার ইত্যাদি বিস্তারিত আমরা আজকের এই বিনা পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার উপায় ও সেট আপ করার নিয়ম পোস্টটিতে বিস্তারিত জানতে পাড়বো।প্রথমেই আমরা জানবো ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কী-  ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এমন একটি ব্যাংকিং কার্ড যার মাধ্যমে আপনি একসাথে দুটি দেশের মুদ্রা ব্যবহার করতে পাড়বেন। 

বাংলাদেশের টাকা এবং বিদেশি কোনো মুদ্রা যেমন ডলার একসাথে এক কার্ড  এর মাধ্যমে ব্যবহার করতে পাড়বেন। আপনি দেশে বসেই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে বিদেশি সেবা গ্রহন করতে পাড়বেন। বর্তমানে বিভিন্ন বাংলাদেশ ব্যাংক পাসপোর্ট ছাড়াই ডেুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরির সুবিধা তৈরি করে দিয়েছে। আপনি চাইল আপনার পাসপোর্ট না থাকলেও ব্যাংক এর মাধ্যমে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করতে পাড়বেন

আরোও পড়ুনঃ ইতালি ভিসা আবেদন লিংক ও ফরম 2026

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড যেইকাজ গুলোতে দরকার- বর্তমান ডিজিটাল সময়ে আমাদের জীবনের অনেকটা অনলাইন নির্ভর। অনলাইনে লেনদেন শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে বিদেশি লেনদেন বেড়েই চলেছে যেমন- ফ্রিল্যান্সিং, বিদেশি ওয়েবসাইটে কেনাকাটা ইত্যাদি এই সব কাজের জন্য আমাদের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর প্রয়োজন হয়। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে ব্যাংক এর ঝামেলা ছাড়াই নিরাপদ ভাবে আন্তর্জাতিক ভাবে লেনদেন করা যায়।

বাংলাদেশে কোন ব্যাংকগুলো ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়

বর্তমানে বাংলদেশের বড় বড় অনেক ব্যাংক ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সুবিধা পাসপোট ছাড়ায় দিচ্ছেন। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড হলো একসাথে দুই দেশের মুদ্রা ব্যবহার করার সুবিধা। বর্তমানে আমরা বিভিন্ন ভাবে বিদেশি সুবিধা গ্রহন করে থাকি বিদেশের সাথে লেনদেন করে থাকি ডুয়েল কারেন্সি কার্ড িএর মাধ্যমে ব্যাংক এর ঝামেলা ছাড়া নিরাপদ ভাবে বিশ্বের যে কোনো দেশের সাথে লেনদেন করা খুবই সহজ।

যেসব বাংলাদেশ ব্যাংক ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়-

  • ১. সিটি ব্যাংক
  • ২.ডাচ বাংলা ব্যাংক
  • ৩.এশিয়া ব্যাংক
  • ৪. ইসলামী ব্যাংক
  • ৫.ইস্টার ব্যাংক

অনলাইনে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের জন্য আবেদন করার নিয়ম

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড হলো একসাথে এক কার্ডে দুটি ভিন্ন দেশের মুদ্রা একসাথে ব্যবহার করার সুবিধা।ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে আপনি দেশের সেবা গ্রহন করার পাশাপাশি বিদেশের যে কোনো সেবা গ্রহন করে লেনদেন করতে পাড়বেন। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর জন্য আবেদন করা জন্য যেসব  ডকুমেন্ট থাকতে হবে- 

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড আবেদন করার জন্য আপনার একটি মোবাইল নাম্বার। মোবাইল নাম্বারটি অবশ্যই আপনার মোবাইলে আক্টিভ থাকতে হবে। আপনার একটি উপায় আকাউন্ট থাকতে হবে যদি  আকাউন্ট না থাকা একটি আকাউন্ট তৈরি করতে হবে। আপনার এনআইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে। এরপর একজন নমিনি লাগবে নমিনির জন্য তার এনআইডি কার্ড লাগবে।

আনলাইনে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর আবেদন করার জন্য উপায় আকাউন্ট বা অন্য ওয়েবসাইটের একটি আকাউন্ট লাগবে। ধরেন আপনার একটি উপায় আকাউন্ট আছে আপনি ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর জন্য আবেদন করতে চান প্রথমে আপনাকে আপনার উপায় আকাউন্টে প্রবেশ করতে হবে। উপায় আকাউন্টে প্রবেশ করার পর  প্রিপেইড কার্ড অপশন পাবেন। প্রিপেইড কার্ড অপশন এর মাধ্যমে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর জন্য আবেদন করতে পাড়বেন।

প্রিপেইড কার্ড অপশনে ক্লিক করুন এরপর আপনার সামনে একটি আবেদন ফর্ম চলে আসবে সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য- আপনার মোবাইল নাম্বার, এনআইডি কার্ড অনুযায়ী আপনার বাবার নাম,এনআইডি কার্ড অনুযায়ী আপনার মায়ের নাম, আপনার একটি ইমেইল আইডি ইত্যাদি তথ্যগুলো দিয়ে পরর্বতী অপশনে যেতে হবে। পরর্বতী অপশনে আপনাকে নমিনির তথ্য দিতে হবে এনআইডি কার্ড অনুযায়ী নমিনির যাবতীয় তথ্য দেওয়ার পর আপনি কার্ডটি কোন ঠিকানায় নিতে চান সেই ঠিকানা দিন। এরপর সব তথ্য ভালেঅভাবে দেখে সাবমিট করুন।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর জন্য সকল তথ্য দিয়ে আবেদন করার পর তারা আপনার সকল তথ্য গুলো ভালোভাবে চেক করার পর সবকিছু ঠিক থাকলে মাসেজের মাধ্যমে আপনকে ৫৭৫ টাকা দিতে বলবে উপায় আকাউন্টে পিপেইড অপশনের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে হবে। সফলভাবে আপনার টাকা পরিশোধ হওয়ার পর মাসেজ এর মাধ্যমে জানোবে আপনি কত দিনের মধ্যে কার্ড পাবেন।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী লাগে

বর্তমান সময়ে ডুয়ল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে আপনি বিদেশি যে কোনো সেবা গ্রহন করতে পাড়বেন। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এমন একটি কার্ড যরি মাধ্যমে আপনি দুটি দেশের মুদ্রা একসাথে ব্যবহার করতে পাড়বেন দেশীয় কোনো সেবার পাশাপাশি বিদেশি সেবাও গ্রহন করতে পাড়বেন। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরির জন্য কিছু ডকুমেন্ট এর প্রয়োজন যেমন-

  • ১. একটি মোবাইল নাম্বার যা আপনার মোবাইলে আক্টিভ থাকতে হবে
  • ২. একটি উপায় আকাউন্ট বা  অন্য ওয়েবসাইটের আকাউন্ট
  • ৩. একটি এনআইডি কার্ড বা  জাতীয় পরিচয়পত্র
  • ৪. এনআইডি কার্ড অনুযায়ী একজন নমিনির তথ্য

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সেট আপ করার সহজ নিয়ম

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ডুয়েল কারেনিাস কার্ড খুব গুরুত্বপূর্ণ  হয়ে উঠেছে কেননা ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশি টাকা এবং অন্য যে কোনো দেশের মুদ্রা ব্যবার করা যায়। বিদেশি যে কোনো সেবা গ্রহন করে লেনদেন করা যায় ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে। ধাপে ধাপে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সেটাপ করতে হয় যেমন-

১. ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর জন্য আবেদন করুন - যে কোনো ব্যাংক বা অনলাইনে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর জন্য আবেদন করতে হবে। যে ব্যাংক গুলোতে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর জন্য করতে পাড়েন সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক,ইস্টার ব্যাংক 

২. ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সংগ্রহ করুন-  ডুয়েল কারেনিাস কার্ড এর জন্য আবেদন করার ১৫ দিন এর মধ্যে ব্যাংক ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে থাকে। ব্যাংকে যোগাযোগ করে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

৩. ডুয়েল কারেন্সি কার্ড আক্টিভ করুন- ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার পর তা আক্টিভ করতে হবে কাস্টমার কেয়ার কল করে, মোবাইলে ব্যাংকের আপ ব্যবহার করে বা ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড আক্টিভ করতে পাড়বেন।

৪.ডলার এনডোর্সমেন্ট করুন- আন্তর্জাতিকভাবে আপনার ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই আপনার ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার এনডোর্সমেন্ট হবে। ডলার এনডোর্সমেন্ট করার পর আপনি বিদেশি যে কোনো সেবা গ্রহন করে লেনদেন করতে পাড়বেন।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার অ্যাড করার পদ্ধতি 

ডুয়েল কারেন্সি  কার্ডে ডলার অ্যাড করা মানে আপনার কার্ডে বিদেশি টাকা যোগ করা য়াতে আপনি বিদেশি লেনদেন করতে পাড়েন। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ডলার অ্যাড করা যায়, ডলার অ্রাড করার পদ্ধতি হলো-

ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মানি এক্সচেঞ্জারগুলোর ডলার এনডোর্সিংয়ের প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে থাকে। আপনার যদি একটি বৈধ্য পাসপোর্ট থাকে তাহলে আপনি যেই দিন ডলার আড করবেন সেই দিনের রেট অনুযায়ী ডলার অ্রাড করতে পাড়বেন। আপনি যদি ব্যাংক থেকে ডলার অ্যাড করতে চান তাহলে আপনাকে যা যা করতে হবে, ব্যাংকে থেকে ডলার অ্রাড করারর জন্য সাধারনত কিছু ডকুমেন্ট এর পারয়োজন হয়।

ব্যাংক থেকে ডলার অ্যাড করার জন্য আপনার একটি বৈধ্য পাসপোর্ট, ডুয়েল কারেন্সি কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র এর একটি ব্যাংক আকাউন্ট এর প্রয়োজন পড়বে। এসব ডকুমেন্ট  নিয়ে আপনার যে ব্যাংকের আকাউন্ট সে ব্যাংকের যে কোনো শাখায় যেতে হবে। এরপর আপনি বাংলাদেশি টাকা জমা দিয়ে ডলার কিনতে পাড়বেন। আপনি যদি ৫০,০০০ টাকার ডলার কিনতে চান যেই দিনে ডলার কিনবেন সেই দিনের রেট অনুযায়ী আপনিাকে ৫০,০০০ টাকার যত ডলার হবে আপনার কার্ডে আড করে দিবে।

আরোও পড়ুনঃ ইউরোপ ভিসা এজেন্সি বাংলাদেশ

বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী আপনি বছরে একটি নির্দিষ্ট পরিমান ডলার আপনার কার্ডে আড করতে পাড়বেন এবং খরচ করতে পাড়বেন। আপনার ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার আড করার পর আপনি বিদেশি যে কোনো লেনদেন করতে পাড়বেন।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে লিমিট সেট করার নিয়ম

বাংলাদেশে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার লিমিট  নির্ধারণের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকিং সিস্টেম অনুযায়ী বছরে একটি নির্দিষ্ট পরিমান ডলার আড করা যায় বা ব্যবহার করা যায়। ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে লিমিট সেট করার জন্য করনীয়-

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার আড এবং িডলার লিমিট সেট করার জন্য আপনার একটি বৈধ্য পাসপোর্ট প্রয়োজন। আপনার পাসপোর্ট এর পাতায় আপনি বছরে কী পরিমান ডলার আড করতে পাড়বেন বা খরচ করতে পাড়বেন তা সিল মেরে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং সিস্টেম অনুযায়ী আপনি বছরে ১২ হাজার ডলার পর্যন্ত আপনার কার্ডে আড করতে পাড়বেন এবং ব্যবহার করতে পাড়বেন। 

আপনি চাইলে ১২ হাজার ডলার একষাথে আড করতে পাড়বেন বা অনেক বারে আড করতে পাড়বেন।ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে আপনি দেশে বসে বিদেশি যে কোনো সেবাই রেনদেন করতে পাড়বেন আপনি চাইলে ১২ হাজার ডলার একবারে ও ব্যবহার করতে পাড়বেন।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করার সময় নিরাপত্তা টিপস

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে আপনি দেশি এবং বিদেশি মুদ্র একসাথে ব্যবহার করতে পাড়বেন। যেহুত ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে আপনি বাংলাদেশি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন একসাথে লেনদেন করতে পাড়বেন এই জন্য এর নিরাপত্তা রাখতে হবে। বিভিন্ন ভাবে আপনি আপনার ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নিরাপদ রাখতে পাড়েন যেমন-

  • ১. কার্ডের পিন ও তথ্য গোপন রাখুন
  • ২. নিরাপদ ওয়েবসাইটে অনলাইন পেমেন্ট করুন
  • ৩. মোবাইল ও ইমেইল এলার্ট চালু রাখুন
  • ৪. পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করে পেমেন্ট করবেন না
  • ৫. নিয়মিত কার্ড স্টেটমেন্ট চেক করুন
  • ৬. অচেনা এটিএম মেশিন ব্যবহার করবেন না
  • ৭. কার্ড হারিয়ে গেলে দ্রুত ব্লক করুন
  • ৮. অনলাইন লিমিট নিয়ন্ত্রণে রাখুন
  • ৯. OTP যাচাই ছাড়া কোনো লেনদেন করবেন না
  • ১০. সন্দেহজনক লিংক বা ইমেইল এড়িয়ে চলুন

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের সুবিধা ও অসুবিধা

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড হলো হলো এমন কার্ড যার মাধ্যমে দেশি এবং বিদেশি লেনদেন একসাথে করতে পাড়বেন। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর যেমন রয়েছে সুবিাধা তেমন তার কিছু অসুবিধাও রয়েছে।ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের সুবিধা-

১. আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ হয়

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যে কোনো লেনদেন নিরাপদ ভাবে করা যায়।

২. বিদেশে ব্যবহার করা যায়

বিদেশে গিয়েও ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করা যায়। বিদেশে গিয়ে আপনি ডুয়েল কারেন্সি কার্ড থেকে যে কোনো পেমেন্ট করতে পাড়বেন।

৪. নিরাপদ লেনদেন

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে আপনি দেশি বা বিদেশি যে কোনো লেনদেন নিরাপদ ভাবে করতে পাড়বেন।

৬. ভ্রমণের জন্য সুবিধাজনক

বিদেশ ভ্রমণের সময় হোটেল বুকিং, টিকিট কেনা বা কেনাকাটা করার জন্য ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার কেরতে পাড়বেন।

৭. অনলাইন ব্যবসায় সুবিধা

যারা ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইন ব্যবসা করেন তারা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট করার জন্য সহজে এই কার্ড ব্যবহার করতে পারেন।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের অসুবিধা-

১. পাসপোর্ট প্রয়োজন হয়

বাংলাদেশে বেশিরভাগ ব্যাংক থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নিতে হলে বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হয়।

২. বার্ষিক ফি বা চার্জ লাগে

অনেক ব্যাংক এই কার্ডের জন্য বার্ষিক ফি, সার্ভিস চার্জ নিয়ে থাকে।

৩. ডলার লিমিট থাকে

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার ব্যবহার করা যায়।

৪. মুদ্রা রেটের পার্থক্য

ডলার আড করার সময় ব্যাংক সাধারণত বাজার দামের থেকে বেশি রেট নিতে পারে।

৫. কার্ড ব্লক হতে পারে

অনেক সময় সন্দেহজনক লেনদেন হলে ব্যাংক কিছু সময়ের জন্য কার্ড  ব্লক করে দিতে পারে।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্লক ও আনব্লক করার নিয়ম

কার্ড ব্যবহার করতে বা লেনদেন করতে সমস্য হলে কার্ড ব্লক হয়ে যেতে পারে। আবার অনেক সময় আপনি আপনার প্রয়োজনে ব্লক করে রাখতে পাড়েন। আপনি যদি ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করেন তবে কার্ড কিভাবে ব্লক করে কিভাবে আনব্লক করে সেসব জানতে হবে। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্লক করা নিয়ম-

১. মোবাইর ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে  ব্লক 

অনেক ব্যাংকের মোবাইল আপে কার্ড ব্লক করার অপশন থাকে সেখান থেকেই কার্ড ব্লক করে রাখা যায়।

২. ব্যাংকের হটলাইনে কল করে কার্ড ব্লক 

যদি কার্ড হাড়িয়ে যায় বা ভুলভাল লেনদেন হয়  তাহলে ব্যাংকের হটলাইনে কল করে কার্ড ব্লক করা যায়।

৩. ব্যাংকে গিয়ে 

আপনার যে ব্যাংকের আকাউন্ট সে ব্যাংকের যে কোনো শাখায় গিয়ে কার্ড ব্লক করতে পাড়বেন।

এছাড়াও বার বার ভুল পিন দিলে,কার্ডে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে ও আপনার কার্ড ব্লক হয়ে যেতে পারে।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড আনব্লক করা নিয়ম-

১. মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আনব্লক

যদি আপনার কার্ড কিছু সময়ের জন্য ব্লক হয়ে থাকে তাহলে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আনব্লক করতে পাড়বেন।

২. ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ার

যদি আপনার কার্ড ব্যাংক ব্লক করে দেয় তাহলে ব্যাংকের হটলাইনে যোগাযোগ করে আনব্লক করতে পাড়বেন।

৩. ব্যাংকে গিয়ে আবেদন

কিছু কিছু  ক্ষেত্রে কার্ড আনব্লক করার জন্য ব্যাংকে গিয়ে আবেদন করতে হয়।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করার নিয়ম

অনেকেই আছেন যারা জনেন না কীভাবে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করা যায় বা  কোথায় থেকে কার্ডে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করা যায়।ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এমন কার্ড যার মাধ্যমে ডলার ব্যবহার করা যায় তাই কীভাবে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করা যায় তা জানা দরকার। ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করার নিয়ম-

১. ব্যাংক শাখার মাধ্যমে কনভার্ট করা

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করার সবচেয়ে নিরাপদ মাধ্যম হলো ব্যাংক এর মাধ্যমে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করা। এর জন্য আপনি যে ব্যাংক থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করেছেন সেই ব্যাংকে গিয়ে বলুন আপনার কার্ডে ডলার থেকে টাকায় কনভার্ট করতে চান তাহলে আপনাকে সে সময়ের রেট অনুযায়ী টাকা আপনার আকাউন্টে আড করে দেবে।

২. ব্যাংক অ্যাপ বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে

ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপ বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ডলার থেকে টাকা কনভার্ট  করা অপশন থাকে যেখান খেকে ডলার থেকে টাকায় কনভার্ট  করা যায়। আপনার মোবাইলে ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপে লগইন করুন এরপর কনভার্ট অপশন খুজুন এরপর কত ডলার করবেন তা লিখে নিশ্চিত করলে আপনার আকাউন্টে টাকা চলে আসবে।

৩. ATM ব্যবহার করে কনভার্ট

অনেক সময় কার্ড দিয়ে লেনদেন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডলার টাকায় কনভার্ট  হয়ে যায়। ATM থেকে টাকা তুললে সিস্টেম সেইদিনের রেট অনুযায়ী ডলার থেকে টাকা কনভার্ট করে দেয়।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহারের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এমন একটি কার্ড যার মাধ্যমে বাংলাদেশি টাকা এবং বিদেশি মুদ্রা যেমন ডলার দুই ধরনের মুদ্রায় লেনদেন করা যায়। এটি সাধারণত আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট বা অনলাইন কেনাকাটার জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে এই কার্ড ব্যবহার করার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সর্ম্পকে জেনে থাকা জরুরি। 

১. কার্ডের ধরন সম্পর্কে জানা

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করা আগে কার্ডের ধরন সর্ম্পকে জানতে হবে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড  সাধারনত তিন ধরনের হতে পারে যেমন-ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, প্রিপেইড কার্ড। কার্ড গুলো ব্যবহারের পদ্ধতি, লিমিট সর্ম্পকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করার আগে জেনে নিতে হবে।

২. পাসপোর্ট ও ডকুমেন্টের প্রয়োজন

বাংলাদেশে বেশির ভাগ ব্যাংক থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করার জন্য বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হয়। কারণ বিদেশি মুদ্রা ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তবে প্রিপেইড কার্ডে পাসপোর্ট ছাড়াও পাওয়া যায়।

৩. ডলার লিমিট সম্পর্কে ধারণা

ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে বছরে কত ডলার ব্যবহার করা যাবে তার একটি  নির্দিষ্ট পরিমান থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যায় এই জন্য ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করার আগে কী পরিমান ডলার ছেরে ব্যবহার করা যায় তা আগে থেকেই জানতে হবে।

৪.অনলাইন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বেশিরভাহ সময়ে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে অনলাইনে লেনদেন করা হয়ে থাকে তাই এর নিরাপত্তা সর্ম্পকে জানতে হবে যেমন- OTP ছাড়া লেনদেন করা যাবে না, অজানা ওয়েবসাইটে কার্ড এর কোনো তথ্য দেওয়া যাবে না, ন্দেহজনক লেনদেন হলে দ্রুত ব্যাংককে জানাতে হবে।

৫. কার্ড ব্লক ও আনব্লক করার নিয়ম

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করতে নিরাপত্তার জন্য কার্ড ব্লক ও আনব্লক করার নিয়ম জানতে হবে। কীভাবে কার্ড ব্লক করা যায়, কীভাবে আবার আনব্লক করা যায়, কীভাবে আবার আনব্লক করা যায় ইত্যাদি।

অনলাইন কেনাকাটায় কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

বর্তমান সময়ে অনলাইন কেনাকাটা খুবই জনপ্রিয় একটি বিষয়। বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা আপ ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করা হয় এবং তাদের পেমেন্ট করতে হয় ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড বা ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে। অনলাইনে কেনাকাটা করার জন্য ভালোমানের বা বিশ্বাস যোগ্য সাইট বেছে নিতে হবে যেমন- Amazon, Daraz। যে কোনো সাইটে কার্ড এর তথ্য দিলে সমস্যায় পড়তে হতে পাড়ে।

আরোও পড়ুনঃ বাংলাদেশে সিঙ্গাপুর ভিসা এজেন্টদের লিস্ট

অনলাইনে কেনাকাটা করার জন্য প্রথমে আপনার পছন্দ মোতো প্রডাক্ট নির্বাচন করুন এরপর নাম ঠিকানা প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অর্ডর কনর্ফম করুন এরপর পেমেন্ট অপশনে গিয়ে পেমেন্ট করার জন্য বিভিন্ন অপশন আসবে সেখান থেকে কার্ড পেমেন্ট অপশন নির্বচন করুন এরপর কাডের তথ্য প্রয়োজনীয় তথ্য কার্ডে র নাম্বার, কার্ডে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ দিন। এরপর আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি পাঠানো হবে মাসেজ এর মাধ্যমে যা দিয়ে পেমেন্ট কনর্ফম করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের ব্যবহার

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় অনলাইন ইনকামের উপায়। বর্তমান সময়ে অনেকেই তাদের অনলাইন কারিয়্যার গড়েছেন ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে। ফ্রিল্যান্সাররা Fiverr, Upwork, Freelancer ইত্যাদি 
 আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে থাকে। যেহুত তাদের কাজ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশের সাথে তাদের অনেক সময় আন্তর্জাতিক লেনদেন করতে হয় যার কারনে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজ করা, অনলাইন টুল ও সফটওয়্যার কেনা,অনলাইন বিজ্ঞাপন চালানো, ক্লায়েন্ট সার্ভিস কেনা,বিদেশি ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা  ইত্যাদি কাজে নিরাপদ ভাবে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে লেনদেন করা যায়।

শেষকথাঃপাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার উপায় ও সেট আপ করার নিয়ম

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এমন কার্ড যার মাধ্যমে বাংলাদেশ এর পাশাপাশি বিশ্বে যে কোনো দেশের মুদ্রা ব্যবহার করা যায়। দুটি দেশের মুদ্রা ব্যবহার করা যায় ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যম।বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ভাবে লেনদেন করার জন্য ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করা হয়ে থাকে।বর্তমান বিভিন্ন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করা যায়। পাসপোর্ট ছাড়া সাধারণত প্রিপেইড ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বা সীমিত আন্তর্জাতিক লেনদেনের ডেবিট কার্ড পাওয়া যায়।  

বাংলাদেশের বেশ কিছু ব্যাংক এই সুবিধা দিচ্ছেন যেমন-সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এশিয়া ব্যাংক,ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার ব্যাংক। জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নাম্বার আরোও কিছু ডকুমেন্ট এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো ডুয়েল কারেন্সি কার্ড তৈরি করে থাকে। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করে দেশীয় সেবা গ্রহন এর পাশাপাশি বিদেশি সেবা গ্রহন করেও নিরাপদ ভাবে লেনদেন করা যায়। ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সর্ম্পকে বিস্তারিত পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার উপায় ও সেট আপ করার নিয়ম পোস্টটিতে জেনেছে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url